শিরোনামঃ
দেড় কিলোমিটার হেঁটে চাচাকে মাথায় করে হাসপাতালে নিলেন ভাতিজা আটকে পড়াদের আমিরাতে ফেরার জন্য নির্দেশিকা দিলো এমিরেটস কাতারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে নতুন সিদ্ধান্ত, কিছু বিধিনিষেধ শিথিল ঢাকা থেকে আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটে ট্রানজিট যাত্রী পরিবহনের অনুমতি ৩০ মিনিট পরীর বাসার সামনে থেকে ব্যবসায় সবুজ বাতি এমদাদের কাতারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক চমৎকার: সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আটক হচ্ছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি, বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে লাইভে এসে চিৎকার করছেন পরীমনি, দরজার বাইরে পুলিশ বিয়েতে যাওয়া হলো না বরপক্ষের, নৌকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পরে আছে ২০ জনের লাশ হোটেলে বমি করে ভাঙচুর চালালেন অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা
সুস্থ থাকতে নিয়মিত দুধ খেতে হবে: তামান্না চৌধুরী

সুস্থ থাকতে নিয়মিত দুধ খেতে হবে: তামান্না চৌধুরী

সময় ছিল যখন এ দেশে মনে করা হতো—দুধ খায় বোকারা। কিন্তু বুড়ো বয়সে ওই মানুষটিই যখন হাড়ের সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান এবং ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন ‘দুধ খেতে হবে’। তখন তাঁর আর আফ’সোসের সীমা থাকে না। তাই হা’ড়ের সমস্যা হওয়ার আগেই সবাইকে নিয়মিত দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন অ্যাপোলো হাসপাতাল ঢাকার প্রধান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।

 

তাঁর মতে, হাড়ের ওপর ভর করেই মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে। ভি’ত্তি মজবুত না হলে যেমন বিল্ডিং টেকসই হয় না, তেমনি হাড় মজবুত না থাকলে শরীর ভালো থাকে না। দেশের অনেকেই গরুর মাংস খাওয়ায় যতটা উৎসাহী, দু’ধের বেলায় ততটা নন। তবে সময়ের সঙ্গে ইতিবাচক পরিবর্তনও হচ্ছে। দিন দিনই দেশের মানুষ সচেতন হচ্ছে। তাদের মধ্যে দুধ গ্রহণের পরিমাণ বাড়ছে। ফুড পিরামিডে সব সময় এক গ্লাস দুধের ছবি দেওয়া থাকে। অর্থাৎ শরীর ভালো রাখতে হলে প্রতিদিন দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষের মাং’সপেশি আশপাশের দেশের মানুষের তুলনায় বলি’ষ্ঠ নয়। আমরা মনে করি জি’ম করলে মজবুত পেশি পাওয়া যাবে। কিন্তু এই ধারণা সঠিক নয়। আসলে মাংশপেশি তৈরি হয় মূলত প্রোটিন থেকে। দুধ হলো প্রোটিনের অন্যতম উৎস। একজন মা যদি গ’র্ভাব’স্থায় ভালোভাবে দুধ খান তাহলে তাঁর স’ন্তান ভালোভাবে বেড়ে উঠবে। সন্তানও যদি নিয়মিত দুধ খায় তাহলে তার মাংসপেশি মজবুত হবে। দুধের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিন আছে যেগুলো মাংসপেশি তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

 

দুধে ফ্যা’ট থাকে। মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে মধ্যবয়সীদের অনেকে দুধ খেতে চান না। এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। তাঁদের বেলায় পরামর্শ কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব বয়সের মানুষের দুধের প্রয়োজন আছে। জন্মের পর শিশু মায়ের বুকের দুধ খাবে। প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাবে। এরপর বুকের দুধের পাশাপাশি তাকে অন্য খাবার দিতে হয়। শিশুর বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে কৈশোর এমনকি পূর্ণবয়’স্ক মানুষের প্রতিদিন দুধ খাওয়া উচিত। যাঁরা প্রচুর পরিশ্রম করেন, নিয়মিত হাঁটেন তাঁরা রোজ ২০০ থেকে ২৫০ মিলি পর্যন্ত দুধ খেতে পারেন। কিন্তু যাঁরা কোনো পরিশ্রম করেন না তাঁদের জন্য এক কাপ দুধও বাড়তি ক্যালরির জোগান হয়ে যেতে পারে। শুধু কিড’নি রোগী’দের বেলায় দুধ খাওয়ায় বিধি-নিষেধ আছে।

তামান্না চৌধুরী, প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল, ঢাকা

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০২১ | বিডি রাইট কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design BY NewsTheme