শিরোনামঃ
বিয়ে করে বাংলাদেশের জামাই হয়ে গেলাম: রাজিয়াকে বিয়ে করে বললেন কোরিয়ান যুবক হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিয়ে করলেন নারী চিকিৎসক ছাত্রলীগের ছেলেদের সিগারেট খাওয়া দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: বাবু ১৬ বছর আগে মারা গেছেন স্ত্রী, প্রতিদিন কবরের কাছে থেকে সঙ্গ দিচ্ছেন স্বামী হায়া কার্ড থাকলেই দেশ থেকে তিনজনকে আনা যাবে কাতার বাঁধনকে বাচ্চাসহ বিয়ে করতে হবে কখনও ভাবিনি: জয় আমি যদি ভুলভাল কিছু একটা করে ফেলি তার দায়ভার কে নেবে: পূজা চেরি স্ত্রী-সন্তান রেখে গোপনে বাংলাদেশে এসে রত্নাকে বিয়ে করেন ইতালির যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় পেট ফেটে ভূমিষ্ঠ হওয়া সেই ফাতেমার চোখজোড়া যেন মাকে খোঁজে আমি পরীমনির স্বামী, তার জন্য সত্যিই গর্বিত: শরিফুল রাজ
সুস্থ থাকতে নিয়মিত দুধ খেতে হবে: তামান্না চৌধুরী

সুস্থ থাকতে নিয়মিত দুধ খেতে হবে: তামান্না চৌধুরী

সময় ছিল যখন এ দেশে মনে করা হতো—দুধ খায় বোকারা। কিন্তু বুড়ো বয়সে ওই মানুষটিই যখন হাড়ের সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান এবং ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন ‘দুধ খেতে হবে’। তখন তাঁর আর আফ’সোসের সীমা থাকে না। তাই হা’ড়ের সমস্যা হওয়ার আগেই সবাইকে নিয়মিত দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন অ্যাপোলো হাসপাতাল ঢাকার প্রধান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।

 

তাঁর মতে, হাড়ের ওপর ভর করেই মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে। ভি’ত্তি মজবুত না হলে যেমন বিল্ডিং টেকসই হয় না, তেমনি হাড় মজবুত না থাকলে শরীর ভালো থাকে না। দেশের অনেকেই গরুর মাংস খাওয়ায় যতটা উৎসাহী, দু’ধের বেলায় ততটা নন। তবে সময়ের সঙ্গে ইতিবাচক পরিবর্তনও হচ্ছে। দিন দিনই দেশের মানুষ সচেতন হচ্ছে। তাদের মধ্যে দুধ গ্রহণের পরিমাণ বাড়ছে। ফুড পিরামিডে সব সময় এক গ্লাস দুধের ছবি দেওয়া থাকে। অর্থাৎ শরীর ভালো রাখতে হলে প্রতিদিন দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষের মাং’সপেশি আশপাশের দেশের মানুষের তুলনায় বলি’ষ্ঠ নয়। আমরা মনে করি জি’ম করলে মজবুত পেশি পাওয়া যাবে। কিন্তু এই ধারণা সঠিক নয়। আসলে মাংশপেশি তৈরি হয় মূলত প্রোটিন থেকে। দুধ হলো প্রোটিনের অন্যতম উৎস। একজন মা যদি গ’র্ভাব’স্থায় ভালোভাবে দুধ খান তাহলে তাঁর স’ন্তান ভালোভাবে বেড়ে উঠবে। সন্তানও যদি নিয়মিত দুধ খায় তাহলে তার মাংসপেশি মজবুত হবে। দুধের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিন আছে যেগুলো মাংসপেশি তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

 

দুধে ফ্যা’ট থাকে। মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে মধ্যবয়সীদের অনেকে দুধ খেতে চান না। এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। তাঁদের বেলায় পরামর্শ কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব বয়সের মানুষের দুধের প্রয়োজন আছে। জন্মের পর শিশু মায়ের বুকের দুধ খাবে। প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাবে। এরপর বুকের দুধের পাশাপাশি তাকে অন্য খাবার দিতে হয়। শিশুর বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে কৈশোর এমনকি পূর্ণবয়’স্ক মানুষের প্রতিদিন দুধ খাওয়া উচিত। যাঁরা প্রচুর পরিশ্রম করেন, নিয়মিত হাঁটেন তাঁরা রোজ ২০০ থেকে ২৫০ মিলি পর্যন্ত দুধ খেতে পারেন। কিন্তু যাঁরা কোনো পরিশ্রম করেন না তাঁদের জন্য এক কাপ দুধও বাড়তি ক্যালরির জোগান হয়ে যেতে পারে। শুধু কিড’নি রোগী’দের বেলায় দুধ খাওয়ায় বিধি-নিষেধ আছে।

তামান্না চৌধুরী, প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল, ঢাকা

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০২১ | বিডি রাইট কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design BY NewsTheme