মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
পাইলটদের আন্দোলন, বন্ধ হয়ে যেতে পারে দুবাই ও আবুধাবির ফ্লাইট
Update : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

স্টাফদের সঙ্গে বৈষম্য ও বেতন কর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে আন্দোলনের হু’ম’কি দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলটরা। এ জন্য আগামী ৩০ জুলাই সময়সীমা বেধে দিয়েছে বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)। বিষয়টি নিয়ে আজ বুধবার (৩০ জুলাই) বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বাপার।

 

এই বৈঠক থেকেই আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পাইলটরা জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে ১৫৭ জন পাইলট কর্মরত রয়েছেন। ২০২০ সালের মে মাস থেকে তাদের বেতন ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কা’টার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বিমানের পরিচালক (প্রশাসন) জিয়াউদ্দীন আহমেদের একটি অফিস আদেশে সংস্থাটির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ক’র্ত’নের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। কিন্তু পাইলটদের বেত’ন কা’টার বিষয়টি বহাল থাকে। এরপর থেকেই ক্ষু’ব্ধ হন তারা।

পাইলটরা জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে ১৫৭ জন পাইলট কর্মরত রয়েছেন। ২০২০ সালের মে মাস থেকে তাদের বেতন ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কা’টার সি’দ্ধান্ত হয়েছে। তবে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বিমানের পরিচালক (প্রশাসন) জিয়াউদ্দীন আহমেদের একটি অফিস আদেশে সংস্থাটির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কর্ত’নে’র সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। ফ্লাইট অপারেশন অফিস সূত্রে জানা যায়, যদি পাইলটরা এগ্রিমেন্টের বাইরে ফ্লাইট অ’পারে’শন না করার সিদ্ধান্ত নেন তাহলে বিমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় রুট আবুধাবি, দোহা, দাম্মাম ও দুবাই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

 

কিন্তু পাইলটদের বেতন কাটার বিষয়টি বহাল থাকে। এরপর থেকেই ক্ষুব্ধ হন তারা। বাপার দাবি, ক’রো’নার মধ্যেও তাদের ফ্লাইট পরিচালনা করছেন তাদের পাইলটরা। এটি করতে গিয়ে ২৫ জন পাইলট এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারপরও পাইলটদের ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে উল্টো বেতন কর্তন করা হচ্ছে। বাপার সভাপতি ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, পাইলটদের বেতন কর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়নি। যদি ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয় তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো। তথ্যসূত্র- দৈনিক ইত্তেফাক।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply