শিরোনামঃ
বিয়ে করে বাংলাদেশের জামাই হয়ে গেলাম: রাজিয়াকে বিয়ে করে বললেন কোরিয়ান যুবক হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিয়ে করলেন নারী চিকিৎসক ছাত্রলীগের ছেলেদের সিগারেট খাওয়া দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: বাবু ১৬ বছর আগে মারা গেছেন স্ত্রী, প্রতিদিন কবরের কাছে থেকে সঙ্গ দিচ্ছেন স্বামী হায়া কার্ড থাকলেই দেশ থেকে তিনজনকে আনা যাবে কাতার বাঁধনকে বাচ্চাসহ বিয়ে করতে হবে কখনও ভাবিনি: জয় আমি যদি ভুলভাল কিছু একটা করে ফেলি তার দায়ভার কে নেবে: পূজা চেরি স্ত্রী-সন্তান রেখে গোপনে বাংলাদেশে এসে রত্নাকে বিয়ে করেন ইতালির যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় পেট ফেটে ভূমিষ্ঠ হওয়া সেই ফাতেমার চোখজোড়া যেন মাকে খোঁজে আমি পরীমনির স্বামী, তার জন্য সত্যিই গর্বিত: শরিফুল রাজ
ভারতে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে তরুণীকে বাঁচালেন মুসলিম যুবক

ভারতে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে তরুণীকে বাঁচালেন মুসলিম যুবক

এবার চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁ’পিয়ে পড়ে এক তরুণীকে বাঁচালেন মোহাম্মদ মেহবুব নামে এক মুসলিম যুবক। নিজের জীবন বাজি রেখে অন্যের জীবন বাঁ’চানোর এ ঘটনা যেন সিনেমাকেও হা’র মানিয়েছে। চলতি মাসের গত ৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মধ্যপ্রদেশের ভোপালের বারখেদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাই’রাল হয়েছে। মেহবুবের অসীম সাহসিকতার জন্য রাজ্যপুলিশের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

 

গতকাল সোমবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৭ বছর বয়সী মেহবুব ওইদিন হঠাৎ এক তরুণীকে ট্রেন লা’ইনের ওপর পড়ে যেতে দেখেন। সেসময় একটি পণ্যবাহী ট্রেন মেয়েটির দিকে গড়িয়ে আসতে শুরু করে। এ ব্যাপারে প্রত’ক্ষ্যদর্শীরা জানান, স্নেহা নামের ওই তরুণী লাইনে পড়ে যাওয়ার পরে মোহম্মদ মেহবুব নামের ওই যুবক তাকে বাঁচাতে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁ’প দেন। এরপর তরুণীকে টেনে লম্বা হয়ে শুয়ে যান যেন ওপর দিয়ে ট্রেন গেলেও তাদের ক্ষ’তি না হয়।

 

মেহবুব নিজের মাথা ও মেয়েটি মাথা নিচু করে রেখেছিলেন। তারপর ট্রেনটি তাদের ওপর দিয়ে চলে যায়। বর্তমানে দুজনেই সুস্থ রয়েছেন। জানা যায়, পেশায় কাঠমিস্ত্রি মেহবুব বলেন, আমি ভেবেছিলাম, মেয়েটি চিৎকারে আত’ঙ্কিত হতে পারে, যা তার মৃ’ত্যুর কারণ হতে পারে। আমি কোনো কিছুর পরোয়া না করে ঝাঁ’প দিয়ে মেয়েটির মাথায় নিজের হাত রাখি এবং চেষ্টা করি যাতে কোনোভাবেই ও মাথা তুলতে না পারে। মাথা তুললেই নি’র্ঘা’ত মৃ’ত্যু।

 

এদিকে সাক্ষাৎ মৃ’ত্যুর মুখ থেকে বেঁ’চে ফিরে স্নেহা বলেন, আমি রেললাইনের ওপর পড়ে গিয়েছিলাম, ইতোমধ্যেই ট্রেনের ২৮টি বগি আমার ওপর দিয়ে চলে গিয়েছে। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম, আমার ভাই ট্র্যাকের ওপারে দাঁ’ড়িয়ে রয়েছে। কিচ্ছু করার উপায় ছিল না। আমি মাথা তুলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে আমি নি’রাপদ। কিন্তু উনি আমাকে মাথা তুলতে বারণ করেছিলেন। উনি আমাকে বলেছিলেন, মাথা না তুলতে। মেহবুবের অসীম সাহসিকতার জন্য ইতোমধ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০২১ | বিডি রাইট কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design BY NewsTheme