শিরোনামঃ
বিয়ে করে বাংলাদেশের জামাই হয়ে গেলাম: রাজিয়াকে বিয়ে করে বললেন কোরিয়ান যুবক হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিয়ে করলেন নারী চিকিৎসক ছাত্রলীগের ছেলেদের সিগারেট খাওয়া দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: বাবু ১৬ বছর আগে মারা গেছেন স্ত্রী, প্রতিদিন কবরের কাছে থেকে সঙ্গ দিচ্ছেন স্বামী হায়া কার্ড থাকলেই দেশ থেকে তিনজনকে আনা যাবে কাতার বাঁধনকে বাচ্চাসহ বিয়ে করতে হবে কখনও ভাবিনি: জয় আমি যদি ভুলভাল কিছু একটা করে ফেলি তার দায়ভার কে নেবে: পূজা চেরি স্ত্রী-সন্তান রেখে গোপনে বাংলাদেশে এসে রত্নাকে বিয়ে করেন ইতালির যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় পেট ফেটে ভূমিষ্ঠ হওয়া সেই ফাতেমার চোখজোড়া যেন মাকে খোঁজে আমি পরীমনির স্বামী, তার জন্য সত্যিই গর্বিত: শরিফুল রাজ
সরকারি খরচে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের মরদেহ দেশে নেওয়ার দাবি

সরকারি খরচে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের মরদেহ দেশে নেওয়ার দাবি

প্রবাসীদের লাশ কিভাবে আনা যায়

পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে ও প্রিয়জনের মুখে হাসি ফো’টাতে কর্মের খোঁজে রেমিট্যান্স যো’দ্ধারা পাড়ি জমান দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে পরবাসে। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যো’দ্ধা বসবাস করেন। এদের বড় একটি অংশ রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার ও আরব আমিরাত এবং মালয়েশিয়ায়।

 

অদ’ক্ষ অর্ধশিক্ষিত বাংলাদেশি তরুণরা প্রবাসে এসে কৃষিকাজে, নির্মাণ শ্রমিক, ক্লিনিং, স্থানীয়দের বাসাবাড়ির কাজ, সিকিউরিটি, কলকারখানার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। এসব কাজে পরিশ্রম বেশি হলেও মজুরি কম। কোনোরকমে পরিবার চলে। নিজের সুখ-আনন্দ ত্যা’গ করে পরিবারের সদস্যদের সুখের আশায় ছুটে চলা এই মানুষগুলো যখন স্ট্রো’ক করে, দুর্ঘ’টনায় অথবা অ’সুস্থ হয়ে মা’রা যায় বিদেশের মাটিতে- তখন এই প্রবাসীর ম’রদেহ দেশে পাঠাতে হয় নিজ খরচে।

 

মালিকের পক্ষ হতে সহযোগিতা করা হয় নামমাত্র, বেশিরভাগ সময় কোনো ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয় না। তখন কমিউনিটির বিভিন্ন নেতা ঘুরে ঘুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে ম’রদেহ দেশে পাঠাতে হয়। যার ভাগ্যে সেটাও জোটে না, তার ম’রদেহ হাসপাতালের হি’মাগারে পড়ে থাকে মাসের পর মাস। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার কুয়েত প্রবাসী নুর আলম মোল্লা বলেন, আমাদের বলা হয় রেমিট্যান্স যো’দ্ধা।

 

আমাদের বৈধপথে পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই রেমিট্যান্স যো’দ্ধা প্রবাসীরা বিদেশের মাটিতে মা’রা গেলে পরিচিতজনের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে ও চাঁদা তুলে তাদের ম’রদেহ দেশে পরিবারের কাছে পাঠাতে হয়। অনেকের ভা’গ্যে সেটাও জুটে না। ফলে তাদের মরদেহ পড়ে থাকে হাসপাতালের ম’র্গে। দেশে আত্মীয়স্বজনরা অপেক্ষায় থাকেন কবে আসবে প্রবাসীর ম’রদেহ, শেষবারের জন্য দুচো’খ ভরে দেখবেন।

 

বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ, বিদেশের মাটিতে কোনো প্রবাসী মা’রা গেলে তার ম’রদেহ যেন সরকারি খরচে পরিবার ও স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কুয়েত মীরসরাই সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, অন্য প্রবাসীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে তারপর ম’রদেহ দেশে পাঠাতে হয়। সরকার ইচ্ছা করলে বিনাখরচে রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ বিমানের মাধ্যমে প্রবাসীদের ম’রদেহ দেশে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০২১ | বিডি রাইট কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design BY NewsTheme