শিরোনামঃ
বিয়ে করে বাংলাদেশের জামাই হয়ে গেলাম: রাজিয়াকে বিয়ে করে বললেন কোরিয়ান যুবক হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিয়ে করলেন নারী চিকিৎসক ছাত্রলীগের ছেলেদের সিগারেট খাওয়া দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: বাবু ১৬ বছর আগে মারা গেছেন স্ত্রী, প্রতিদিন কবরের কাছে থেকে সঙ্গ দিচ্ছেন স্বামী হায়া কার্ড থাকলেই দেশ থেকে তিনজনকে আনা যাবে কাতার বাঁধনকে বাচ্চাসহ বিয়ে করতে হবে কখনও ভাবিনি: জয় আমি যদি ভুলভাল কিছু একটা করে ফেলি তার দায়ভার কে নেবে: পূজা চেরি স্ত্রী-সন্তান রেখে গোপনে বাংলাদেশে এসে রত্নাকে বিয়ে করেন ইতালির যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় পেট ফেটে ভূমিষ্ঠ হওয়া সেই ফাতেমার চোখজোড়া যেন মাকে খোঁজে আমি পরীমনির স্বামী, তার জন্য সত্যিই গর্বিত: শরিফুল রাজ
ইতিহাস গড়তে চলেছে মেট্রোরেল, চালক ও স্টেশন পরিচালনায় ২ নারী

ইতিহাস গড়তে চলেছে মেট্রোরেল, চালক ও স্টেশন পরিচালনায় ২ নারী

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছে মে’ট্রোরেল। সেই উন্নয়নের সমা’ন্তরালে আরেক ইতিহাস লিখছেন দুই নারী। তাদের একজন মরিয়ম আফিজা। অন্যজন আসমা আক্তার। একজন মেট্রো রেলের প্রথম নারী চালক। আরেকজন প্রথম নারী স্টে’শন অপারেটর। দেশের প্রথম মেট্রোরেল চালানোর জন্য নিয়ো’গ পাওয়া এই দুজন এখন পুরোদমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাদের হাত ধরেই শুরু হবে মেট্রোরেলের আনুষ্ঠা’নিক যাত্রা।

 

মেট্রোরেলের চালকের পদটির নাম ‘ট্রেন অপা’রেটর’। এই পদে ২৫ জনের সঙ্গে মরিয়ম আফিজা নি’য়োগ পেয়েছেন। এমন কাজে যু’ক্ত হতে পরেও তিনি নিজেও অনেক খুশি। মরিয়ম আফিজা বলেন, মেট্রোরেল অনেকের মতো আমার কাছেও একটা স্বপ্ন। আমি নিজে ট্রেন চালাব- এটা ভেবে এখনই বেশ আনন্দ লাগছে। এখন মূল ল’ক্ষ্য প্রশিক্ষণ নিয়ে দ’ক্ষতা অর্জন। মরিয়ম আফিজা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন কে’মিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে।

 

এদিকে, মেট্রোরেলে স্টেশন থেকে ট্রেন পরিচালনায় যু’ক্ত ব্য’ক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করবেন স্টেশন ক’ন্ট্রোলার। এই পদে ৩৪ জনের সঙ্গে নিয়োগ পেয়েছেন আসমা আক্তার। ট্রেন অপারেটর কখনো কখনো স্টেশন কন্ট্রোলারের দায়িত্ব পালন করবেন। আবার স্টেশন কন্ট্রো’লার প্রয়োজন হলে ট্রেন চালাবেন। এমন দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসাবেই দেখছেন রাজধানীর তিতুমীর কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাত’ক করা আসমা আক্তার। তার হাত দিয়েই এই চলাচল হবে নিরাপদ আর নির্বি’ঘ্ন।

 

আসমা আক্তার বলেন, পত্রি’কায় চাক’রির বিজ্ঞাপন দেখে একটা চাকরি করব, শুধু এটা ভেবেই এখানে আসিনি। মেট্রোরেল ব্যবস্থার প্রতি একটা প্যা’শনও কাজ করেছে। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণে মেট্রোরেলের খুঁটিনাটি সবই র’প্ত করার চেষ্টা করছি। আমার প’দ স্টেশন কন্ট্রোলার হলেও ট্রেন চালাতে হতে পারে। এটা আসলেই একটা রো’মাঞ্চক’র ব্যাপার।

 

গেলো কয়েক বছর ধরেই নানা রকম পড়াশুনা আর দেশে বিদেশে কয়েক ধা’পের প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে নিজেদের চু’ড়ান্ত সময়ের জন্য প্রস্তুত করছেন দুই নারী। মরিয়ম ও আসমা ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের হালিশহরে বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেনিং একাডেমিতে দুই মাসের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। ঢাকায় ফিরে আরও চার মাস প্রশিক্ষণ নেন। বর্তমানে উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেলের ডিপোতে কারিগরি ও প্রায়োগিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এরপর তাঁরা দিল্লি মেট্রোরেল একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেবেন।

 

এখানে মেট্রোরেলের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জাপানের মিতসুবিশি-কাওয়াসাকি কোম্পানির বিশে’ষজ্ঞরা ট্রেন পরিচালনার কারিগরি ও প্রায়োগিক নানা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। প্রাথমিক ভাবে মেট্রোরেলের অপারেটর বা চালক হিসেবে কাজ করবেন কমপক্ষে ৯০ জনের একটি দল। সবকিছু ঠিকঠা’ক থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর ঢাকাবাসী মেট্রোরেলে চড়বে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০২১ | বিডি রাইট কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design BY NewsTheme